মিনি কক্সবাজার মৈনট ঘাট যাতায়াত ও খরচ এবং দর্শনীয় স্থান

 প্রিয় পাঠক, এই আর্টিকেলে মিনি কক্সবাজার ঘাট ঢাকা দোহার যাতায়াতের সহজ দুইটি রুট, স্বল্প খরচ ও দর্শনীয় স্থানের সঠিক তথ্য সম্পর্কে এক নজরে জানুন।

মিনি-কক্সবাজার-মৈনট-ঘাট

মিনি কক্সবাজার (মৈনট ঘাট) ঢাকার কাছে দোহার উপজেলা খেয়াঘাট। যা পদ্মার তীরে অবস্থিত । এখানেই ট্রাভেলার গন প্রাণ ভরে বিশাল কক্সবাজার সমুদ্র সৈকতের হটস্পট ছোঁয়া নিতে আসে।

পেজ সূচিপত্রঃ মিনি কক্সবাজার মৈনট ঘাট যাতায়াত খরচ ও দর্শনীয় স্থান সম্পর্কে জানতে পড়ুন।

মিনি কক্সবাজার মৈনট ঘাট

মিনি কক্সবাজার মৈনট ঘাট (Mini cox,s bazar monat ghat) মূলত পদ্মার পাড়ের একটি কোলাহলমুক্ত খেয়াঘাট।  এই পদ্মা নদীর এক পাড়ে দোহার বা খেয়াঘাট অন্য পারে ফরিদপুর জেলা। এই ঘাট দিয়ে নদী পাড়া পার হয়ে, মানুষ ফরিদপুর গোপালপুর যায়। অনেকে এই ঘাটটিকে মিনি কক্সবাজার নামে আখ্যা দেয়। তবে মিনি কক্সবাজার নাম দেয়ার পিছনে কিছু শর্ত আছে। তার মধ্যে অন্যতম শর্ত হলো।

আসলে এটা সমুদ্র না, এটা একটা পদ্মা নদীর তীর। কিন্তু এই পদ্মার তীরে বিশাল বালুরচর যা কক্সবাজারের মতোই নরম বালির অনুভূতি প্রকাশ করে।

সমুদ্রের ঢেউয়ের মতো পানি দেখা যায়। কক্সবাজার সমুদ্র সৈকতের যেমন দূর থেকে পানির মিতালি ঢেউ এসে বালুর বুকে আছড়ে পড়ে, তেমনি এই পদ্মা নদীর পানি কিনারায় এসে একই রকম ভাবে আলতো ছোঁয়া দিয়ে বালির সাথে মিশে যায়।

বিশাল খোলা দিগন্ত কক্সবাজার সমুদ্র সৈকতে ঘুরতে গেলে দেখা যায় যত দূর চোখ যায় শুধু নীল আকাশ আর সমুদ্র তরঙ্গের সমুদ্র নীল জলরাশি, ঠিক তেমনি এই খেয়া ঘাটের সামনে দাঁড়ালে দেখে মনে হয় যেন আমি সেই কক্সবাজার সমুদ্র সৈকতের সামনে একই দৃশ্য উপভোগ করছি। আর এই তিনদিক কে কেন্দ্র করে পর্যটকগণ এই স্পটটিকে মিনি কক্সবাজার নামে আখ্যা দিয়েছেন।

এখানে হাঁটলে পদ্মা নদীর বিশাল নরম বালির ছোঁয়া উপভোগ করতে পারবেন, যেদিকে তাকাবেন শুধুই বিশাল জলরাশির তরঙ্গ ঢেউ খেলে। দূরে দেখা মিলে মাঝে মাল্লাদের নৌকায় মাছ ধরার দৃশ্য, মাঝে মাঝে নদীর শীতল হাওয়া মনকে প্রফুল্ল করে। হঠাৎ কখন যেন মনের অজান্তে হারিয়ে যাই সেই কক্সবাজার সমুদ্র সৈকতে।

আরো পড়ুনঃউদয়পুর ডেস্টিনেশন ঢাকা ভ্রমণ গাইড ২০২৬ যাতায়াত ও খরচ

যাওয়ার সেরা সময়ঃ সকাল ৭ঃটা -১০টা পর্যন্ত শান্ত স্নিগ্ধ অনুভূতি পাওয়া যায়। যা ছবি তোলার জন্য সেরা সময়।

বিকেল চারটা থেকে সূর্যাস্ত পর্যন্ত গোল্ডেন লাইট সময়। যা ছবি তোলার সেরা সময় নির্ধারণ করা হয়।

তবে শর্ত হলো ছুটির দিন ব্যতীত আসলে  ভালো হয়। কারণ অন্যান্য দিন এ জায়গায় প্রচুর পরিমাণে বের হয়। এখানে ড্রোন শট নিলে একদম কক্সবাজারের ভিউ পাওয়া যায়।

 মৈনট ঘাট  যাওয়ার সেরা সময়

মিনি কক্সবাজার মৈনট ঘাট যাওয়ার সেরা সময় "নভেম্বর থেকে ফেব্রুয়ারি মাস" এ সময় আবহাওয়া থাকে ঠান্ডা ও আরামদায়ক। আকাশ পরিস্কার ও সুন্দর ভিউ পাওয়া যায়। ফটোগ্রাফির জন্য সেরা সময়। নদীর পানি শান্ত থাকে।

আপনি চাইলে বর্ষা মৌসুমে যেতে পারেন। এ সময় নদী পানিতে ভরপুর থাকে। এ সময় নদীতে প্রচুর পরিমাণে স্রোত থাকে। যার ফলে ভাঙ্গনও দেখা যায়। এ সময় নদীর আশেপাশে বিল বাওর ভেঙ্গে এক হয়ে যায়। এ সময় অনেক দর্শনার্থী হতাশা অনুভব করে, এজন্য যে কোনটা নদী কোনটা বিল বোঝাই মুশকিল।

মিনি কক্সবাজার মৈনট ঘাটের মূল আকর্ষণ

মিনি কক্সবাজার ময়নহাট ঘাট সবচেয়ে বড় সৌন্দর্য হলো। ঢাকার কাছে সমুদ্রের মতো অভিজ্ঞতা পাওয়া যায়। নিচের প্রধান আকর্ষণ গুলোর বর্ণনা তুলে ধরা হলো।

বিশাল বালুচর সমুদ্রের মতো দৃশ্য

মিনি কক্সবাজার মৈনট ঘাট পদ্মা নদীর তীরে বিস্তৃত বালুচর। দিগন্ত জোড়া খোলা ভিউ। একদম কক্সবাজারের মত অনুভূতি পাওয়া যায়। মুল ঘাট থেকে সামনের দিকে এগোলে ভিড় কম থাকে। এখানে পাওয়া যায় বালু চর। নদীর কিনারার বাক থেকে সিনেমাটিক ভিউ পাওয়া যায়।

অসাধারণ সূর্যাস্ত

মিনি কক্সবাজার মৈনট ঘাট পদ্মার নদীর খেয়াঘাট ভ্রমণে অসাধারণ সূর্যাস্ত আপার লীলাভূমি উপলব্ধি করা যায়। বিকালের সূর্যাস্তের দৃশ্য সবচেয়ে আকর্ষণীয় হয়। সূর্য পশ্চিম আকাশে ধীরগতিতে অস্তমিত যাওয়া পুরো নদী এবং আকাশে রক্তিম রং ধারণ করে অসাধারণ চমৎকার দৃশ্য তৈরি হয়। এটা যে কোন প্রাকৃতিক পর্যটকদের কাছে সেরা মুহূর্ত। লাল কমলা আকাশ প্লাস নদীর পানির তরঙ্গের ঝিকিমিকি দারুন দৃশ্য। ফটোগ্রাফির জন্য বেস্ট সময়।

নৌকা ভ্রমণ

মিনি কক্সবাজার মৈনট ঘাট নৌকা ভ্রমণের জন্য ভিন্ন অনুভূতি পাওয়া যায়। বালুচরের খোলা আকাশে বয়ে চলা নদীর পানির স্রোত সিনেমাটিক লোকেশনে ট্রাভেল ব্লগ রিলিজ করার জন্য পারফেক্ট। তবে সতর্কতার সঙ্গে এই নৌকা ভ্রমণের শর্টগুলো নিতে হবে। মনে রাখবেন সবার চেয়ে জীবনের মূল্য অনেক বেশি।

মিনি-কক্সবাজার-মৈনট-ঘাট

প্রাকৃতিক বাতাস ও শান্ত পরিবেশ

মিনি কক্সবাজার মৈনট ঘাট শহর থেকে কোলাহলমুক্ত এক নিরিবিলি শান্ত পরিবেশ। ঠান্ডা শীতল বাতাস আর নিরিবিলি পরিবেশে সময় কাটিয়ে নিজেকে মনে হয় স্বর্গীয় অনুভূতি ফিল করেছি। রিলাক্স করার জন্য সত্যিই অসাধারণ চমৎকার পরিবেশ।

আরো দেখুনঃনাগরিয়াকান্দি গোল্ডেন স্টার পার্ক নরসিংদী ভ্রমণ গাইড 

লোকাল খাবারের অভিজ্ঞতা

মৈনট ঘাট ভ্রমণে নদীর টাটকা মাছ ও সাধারণ মানুষের জীবন যাপন ও খাবারের ঐতিহ্য দেখতে পাবেন। সেসঙ্গে কম দামে স্বাস্থ্যসম্মত সস্তা ও টেস্টি খাবার পাবেন। উন্মুক্ত খোলা বালুর চরে হাঁটতে হাঁটতে প্রাকৃতিক রূপালী সৌন্দর্য  উপভোগ করতে পারবেন। 

কিভাবে যাবেন

মিনি কক্সবাজার মৈনট ঘাট যাওয়ার সহজ কয়েকটি রুট উল্লেখ করলাম। চলুন জেনে নেওয়া যাক

শর্টকাট রুট

অনেকে জানেন না, এজন্য আপনাদের সহজভাবে এরূটি তুলে ধরলাম

ঢাকা গাবতলী মোহাম্মদপুর থেকে সরাসরি দোহারগামে বাস পাওয়া যায়। আপনি চাইলে মাইক্রোতেও যেতে পারেন ।এতে কম সময়ে সহজে পৌঁছানো যাই।

বাসের নাম 

  • যমুনা পরিবহন
  • এন মল্লিক পরিবহন
  • জয় পাড়া পরিবহন

এগুলো গুলিস্তান গোলাপ শাহ মাজারের সামনে থেকে ছাড়ে।

জনপতি ভাড়া ৭০ থেকে ১০০ টাকা নেয়

পৌছাতে সময় লাগে ২ঃ ৩০ মিনিট

মুন্সিগঞ্জ হয়ে যেতে পারেন এজন্য নগর পরিবহন হয়ে কার্তিকপুর বাজার থেকে মৈনট খাট অটো রিক্সায় পৌঁছাতে পারেন।

এভাবে গেলে খরচ কম হয়।

কোথায় থাকবেন

মিনি কক্সবাজার মৈনট ঘাট ভ্রমণে ডে ট্রিপ হয়। তাই এখানে থাকার ব্যবস্থা খুবই সীমিত। তবে আপনি চাইলেআশেপাশে কয়েকটি অপশন তুলে ধরতে পারি । চলুন জেনে নেওয়া যাক

দোহার নবাবগঞ্জ এলাকায় লোকাল গেস্ট হাউসঃ চাইলে আপনি এখানে থাকতে পারেন। জনপ্রতি ভাড়া ৫০০ - ১৫০০ টাকা প্রতি রাত। যার ট্রাভেলদের জন্য ভালো অপশন।

মুন্সিগঞ্জ মাওয়া ঘাটঃ একটু ভালো মানের হোটেল পাবেন। জনপ্রতি ভাড়া এক- তিন হাজার টাকা। সুবিধা পরিবেশ তুলনামূলকভাবে ভালো ও নিরাপদ এবং আরামদায়ক।

কোথায় খাবেন

মিনি কক্সবাজার মৈনট ঘাট ভ্রমণে কোথায় খাবেন এ নিয়ে কোন টেনশন করার প্রয়োজন নেই। পদ্মা নদীর মৈনট ঘাটের আশেপাশে কিছু লোকাল খাবারের হোটেল আছে। চাইলে এখানে খেতে পারেন

খাবারের মধ্যে পাবেন

  • ভাত
  • ডাল
  • ভাজি
  • মাছ
  • ডিম এবং মাংস

জন্মতে প্রতিবেলা খাবারের জন্য ১০০ - ২৫০ টাকা বাজেটে ধরুন। সহজ এবং সস্তায় দ্রুত খাবার পাওয়া যায়।

আরো জানুনঃপুরান ঢাকার লালকুঠি  ফিরে পাচ্ছে পুরনো জৌলুস 

এছাড়া ট্রাভেলদারদের জন্য পদ্মা নদীর তাজা ইলিশ মাছ ভাজা সবার জন্য ফেভারিট খাবার এখানে পাওয়া যায়। ১০০ -  ৪০০ টাকা জনপ্রতি খাবারের বিল ধরুন।

সঙ্গে যা নিবেন

মিনি কক্সবাজার মৈনট ঘাট ভ্রমণ নিরাপদ ওআরামদায়ক করার জন্য সঙ্গে যা নিবেন। এর কিছু তালিকা তুলে ধরলাম

  • হালকা আরামদায়ক জামা কাপড়
  • সানগ্লাস
  • ক্যাপ
  • সানস্ক্রিন ক্রিম
  • গামছা বা তোয়ালে
  • বালুতে হাঁটার জন্য চপ্পল
  • মোবাইল ফোন চার্জার প্লাস পাওয়ার ব্যাংক
  • উন্নত মানের ক্যামেরা বা ড্রন
  • নিরাপদ পানির বোতল
  • শুকনো খাবার
  • হ্যান্ড স্যানিটাইজার
  • টিস্যু
  • মশা নিরোধক স্প্রে
  • নগদ টাকা অবশ্যই সঙ্গে রাখবেন
  • আইডি কার্ড সঙ্গে রাখুন (প্রয়োজনে লাগতে পারে)
  • শীতে গেলে জ্যাকেট সঙ্গে নিবেন।

সতর্কতা অবলম্বন

মিনি কক্সবাজার মৈনট ঘাট ভ্রমণে কি কি সতর্কতা অবলম্বন করতে হয়। চলুন বিস্তারিত জেনে নেওয়া যাক

পদ্মা নদীর স্রোতে মাঝখানে যাওয়া যাবেনা।

লাইভ জ্যাকেট অবশ্যই সঙ্গে রাখবেন

আবহাওয়ার খবর সব সময় আপডেট রাখুন

শিশুদের খেয়ালে রাখবেন

বালুচরে নরম কাঁদায় সাবধানে হাঁটুন

হঠাৎ পানি বেড়ে যেতে পারে এজন্য নদীর কিনারার আশেপাশে থাকুন

পিচ্ছিল রাস্তায় সাবধানে হাঁটুন 

একা কোথাও যাবেন না

মূল্যবান জিনিসপত্র সঙ্গে রাখুন।

জনপ্রতি কত খরচ হবে

ঢাকা থেকে বাসে ৭০- ১০০ টাকা 

যাওয়া আসা ১৪০ -  ২০০ টাকা 

অটো রিক্সা মৈনট ঘাট ৫০-১০০ টাকা

যাতায়াত খরচ ১২০ - ২০০ টাকা

খাবার খরচ ১৫০ - ৩৫০ টাকা

অন্যান্য খরচ ১৫০ - ২৫০ টাকা

যদি থাকতে চান ৫০০ - ১৫০০ টাকা

সর্বমোট খরচ ৯২০ - ২৩০০ টাকা

আশেপাশে দর্শনীয় স্থান

পদ্মা নদীর চরঃ বিশাল বালুচর যেখানে হাঁটতে এবং ছবি তুলতে মজার অনুভূতি পাওয়া যায়। নদীর মাঝখানে ছোট ছোট চর কিছুটা মনোমুগ্ধকর অনুভূতি পাওয়া যায়।

দোহার গ্রামে স্থানীয় জীবনঃ গ্রামীণ পরিবেশ হালকা ঘাটের বাজার স্থানীয় মাছের হাট কিসের চাষের বিভিন্ন ফল ফসলি দেখা।

নবাবগঞ্জ বাজারঃ মৈনট ঘাট থেকে ১৫-২০ মিনিট দূরত্বে বাজার পাওয়া যায়। এখানে খাবার পানি হালকা শপিং ও লোকাল মার্কেট। আছে

মাওয়া ঘাটঃ পদ্মা নদীর এক বড় ট্রান্সপোর্ট। সুন্দর নদীর ভিউ নৌকা ভ্রমণের সুযোগ।

মিনি-কক্সবাজার-মৈনট-ঘাট

সূর্যাস্তের ভিউ উপভোগঃ অপূর্ব লীলাভূমির সূর্যাস্তের সৌন্দর্য উপভোগ করা যায় এখানে দাঁড়ালে।

ক্লিক করুনঃকাপাসিয়া গাজীপুর জেলা পর্যটনের সম্ভাবনার মাধ্যমে বেকারত্ব দূরীকরণে উপায় সমূহ

শেষ কথা

আজকের আর্টিকেলে আমরা মিনি কক্সবাজার মৈনট ঘাট যাতায়াত খরচ ও দর্শনীয় স্থান সম্পর্কে বিস্তারিত আলোচনা তুলে ধরলাম। আশা করছি বুঝতে পেরেছেন। কিভাবে যাবেন, কোথায় খাবেন, কোথায় থাকবেন, বিস্তারিত তথ্য তুলে ধরেছি। এরপরও যদি আপনাদের কোন প্রশ্ন  থাকে, তাহলে আমাদেরকে কমেন্ট বক্সে জানাবেন। আপনাদের প্রশ্নের সঠিক উত্তর দিয়ে উপকৃত হব।

আমাদের আর্টিকেলটি যদি আপনাদের কাছে ভালো লেগে থাকে তাহলে আপনাদের আত্মীয় স্বজনের নতুন শেয়ার করে দিবেন। আমাদের ওয়েবসাইটটি ফলো দিয়ে রাখুন দিয়ে রাখুন। ফলে  নতুন আর্টিকেল এই ওয়েবসাইট থেকে সবার আগে পাবেন। আমাদের সঙ্গে থাকার জন্য আপনাদের অসংখ্য ধন্যবাদ। আপনাদের সুস্বাস্থ্য কামনা করে, আজকের মত এখানেই শেষ করছি। আল্লাহ হাফেজ।

এই পোস্টটি পরিচিতদের সাথে শেয়ার করুন

পূর্বের পোস্ট দেখুন পরবর্তী পোস্ট দেখুন
এই পোস্টে এখনো কেউ মন্তব্য করে নি
মন্তব্য করতে এখানে ক্লিক করুন

আপনি সফল ব্লগে নীতিমালা মেনে কমেন্ট করুন। প্রতিটি কমেন্ট রিভিউ করা হয়।

comment url